নিম্নশ্রেণির জীব ও অণুজীব
ষষ্ঠ শ্রেণিতে আমরা জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে পড়েছি। আমরা আদিকোষী জীব ও প্রকৃতকোষী জীব এই দুটি ভাগের অধীনে ৫টি রাজ্যে জীবদেরকে বিন্যাস করেছিলাম।
সপ্তম শ্রেণিতে আমরা নিম্নশ্রেণির জীবদের নিয়ে পড়বো। সাধারণভাবে গঠন ও কাজের দিক থেকে সরল ধরণের জীবদের আমরা নিম্নশ্রেণির জীব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করি।
নিম্নশ্রেণির জীব: গঠন ও কাজের দিক থেকে সরল ধরণের জীব। যেমন- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা, শৈবাল, ছত্রাক ইত্যাদি।
উচ্চশ্রেণির জীব- যেমন বিভিন্ন উদ্ভিদ বা প্রাণীদের যেমন বিভিন্ন অঙ্গ (উদ্ভিদের মূল, পাতা বা প্রাণীর হাত-পা), তন্ত্র (পরিবহনতন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র) প্রভৃতি জটিল বিন্যাস থাকে- নিম্নশ্রেণির জীবদের মধ্যে এরকম দেখা যায় না। এজন্য আমরা সরল বলছি।
সাথে খুবই কাছাকাছিভাবে প্রাসঙ্গিক আরেকটি পরিভাষা হলো অণুজীব। এমন জীব, যাদের অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া দেখা যায় না।
অণুজীব: যেসব জীব এত ক্ষুদ্র যে খালি চোখে দেখা যায় না, অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়।
কিছু কিছু শৈবাল ও ছত্রাক খালি চোখে দেখা যায়। এর বাইরে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা এবং বেশিরভাগ শৈবাল ও ছত্রাক অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত।
ষষ্ঠ শ্রেণিতে আমরা যখন শ্রেণিবিন্যাস পড়েছি, আমরা হয়ত অনেকে খেয়াল করিনি- ভাইরাস কিন্তু সে শ্রেণিবিন্যাসের কোন রাজ্যেই ঠাঁই পায়নি! এর কারণ ভাইরাস অন্য জীবদেহের বাইরে জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে না, আমরা সামনে ভাইরাস নিয়ে পড়বো তখন আমরা আরো জানবো। তবে যখন আমরা অণুজীব নিয়ে আলোচনা করি- তখন ভাইরাস বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।