বিজ্ঞানে গবেষণাকে দুটো প্রকারে ভাগ করা হয়- গুণগত (qualitative) ও পরিমাণগত (quantitative)। গুণগত- অর্থাৎ কোন কিছু গুণাগুণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ে আমরা আলাপ করছি। পরিমাণগত- অর্থাৎ কোন কিছুর পরিমাপ নিয়ে কাজ করছি।

আমরা যখন কেন বা কীভাবে এরকম বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি, তখন সে গবেষণাকে আমরা বলি গুণগত গবেষণা। আর যখন আমরা কতগুলো বা কতটা এরকম প্রশ্নের উত্তর নিয়ে গবেষণা করি, তখন সেটা পরিমাণগত গবেষণা।

এর একটি অন্যটির পরিপূরক। তবে বর্তমান সময়ে পরিমাণগত গবেষণার প্রবণতা বাড়ছে। উদাহরণ দিই- ইঞ্জিন দিয়ে কীভাবে গাড়ি চালানো যায় এই প্রশ্নের উত্তর আমরা আগেই জানতে পেরেছি। এখন আমরা হয়ত চেষ্টা করছি সে গাড়িকে আরো দ্রুত বা আরো সাশ্রয়ী করে তোলার। তাহলে নতুন ডিজাইনের একটা ইঞ্জিন কতটা শক্তি উৎপাদন করছে বা কতটা জ্বালানী খরচ করছে এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।

গুণগত ও পরিমাণগত এই দুটি বিভাজন বিজ্ঞানের সব শাখাতেই আমরা কমবেশি দেখবো। এসএসসি পর্যায়ে জীববিজ্ঞানে মূলত গুণগত আলোচনা বেশি হবে। রসায়নে পরিমাণগত কিছু আলোচনা আছে, তবে গুণগত আলোচনা বেশি থাকবে। পদার্থবিজ্ঞানে আবার বেশিরভাগটাই পরিমাণগত আলোচনা, এখানে আমরা প্রচুর গাণিতিক সমস্যা পাবো।